আহত শিশুটি চাঁদপুরের নাইমা, মা-দাদির খোঁজ মেলেনি এখনো

Posted by

দুর্ঘটনায় আহত শিশুটির নাম-পরিচয় মিলেছে। মাথায় ব্যান্ডেজ তার, রক্তের দাগ লেগে রয়েছে। তার নাম নাইমা। বাড়ি চাঁদপুরে। নাইমার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন তার চাচা মানিক। এর আগে সোশাল মিডিয়ায় নাইমাকে নিয়ে লেখা পোস্ট ভাইরাল হয়।

অনেকেই তাকে নিয়ে পোস্ট দেন কিংবা শেয়ার করেন। হাসপাতালে সে কিছুই বলতে পারছিল না। তার বাবা-মা বা অভিভাবকের কোনো খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে তার চাচাকে পাওয়া গেলো। তবে ট্রেনে থাকা তার মা এবং দাদির কোনো খোঁজ মেলেনি এখনো।

নাইমার চাচা মানিক ঢাকা ছিলেন। তিনি ইতোমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। জানা যায়,  সিলেট থেকে মা কাকলী ও দাদি উদয়ন এক্সপ্রেসে করে নাইমাকে নিয়ে চাঁদপুরে ফিরছিলেন।

মেয়েটি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হসপিটালে চিকিৎসাধীন আছে। উপস্থিত সবাই তার খেয়াল রাখছেন বলে জানা গেছে।

আজ মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এখন পর্যন্ত ১৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ  থেকে তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় পেলেই জানানো হবে। আর আটকে পড়া যাত্র্রীদের খাবারের ব্য্যবস্থাও করেছে উপজেলা প্রশাসন। চেয়ারম্যান আরো জানান, আইনমন্ত্রী উপজেলা চেয়ারম্যানকে  নির্দেশ দিয়েছেন যাত্রীদের সুবিধামতো স্থানে পৌছে দেয়ার জন্য যেন পর্যাপ্ত গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। আইনমন্ত্র্রীর বাড়ি এই কসবা উপজেলায়।