তীব্র সমালোচনার মুখে সিঁদুরের পক্ষে সাফাই গাইলেন নুসরাত!

Posted by

রাজনীতিতে আসার পর থেকেই ট্রোল আর বিতর্কে একাকার অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। প্রায় তিন লক্ষের বেশি ভোটে জিতেও রেহাই নেই তাঁর। কখনও পোশাক, কখনও সেলফি, কখনও আবার সিঁদুর- বারবার বিতর্কের মুখে পড়তে হচ্ছে নুসরাতকে।

দেওবন্দের সমালোচনার পর এর পাল্টা দিতে সিঁদুরের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন ভারতের বসিরহাটের এই এমপি। তিনি কেন সিঁদুর আর মঙ্গলসূত্র পরে সংসদে শপথ নিলেন, তা নিয়ে শনিবার প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক মুসলিম নেতা। জৈন ছেলেকে বিয়ে করা নিয়েও অসন্তুষ্ট তাঁরা।

এই প্রসঙ্গেই নিজের ট্যুইটারে বিবৃতি দিলেন নুসরাত। তিনি লিখেছেন, ‘আমি অখণ্ড ভারতের প্রতিনিধি। সেখানে কোনও জাতি বা ধর্মের বাধা নেই। আমি সব ধর্মকেই সম্মান করি।’ মুসলিমরা বলেন, সিঁদুর পরে নুসরাত নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।

তার জবাবে নুসরত বলেন, ‘আমি এখনও একজন মুসলিম। তবে সব ধর্মকেই সম্মান করি। আর আমি কী পরব, সেটা নিয়ে কারও মন্তব্য করা উচিত্‍ নয়। বিশ্বাস তো পরিধানের উর্ধ্বে।’ নুসরাত সাংসদ হয়েই বিয়ে করতে উড়ে গিয়েছিলেন সুদূর তুরস্কে। শপথও নিতে পারেননি।

গত রবিবারই বিয়ে সেরে দেশে ফেরেন নুসরাত। স্বামী নিখিল জৈনের হাত ধরে বিমানবন্দরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবারে বেগুনি পাড় সাদা শাড়িতে লোকসভায় যান সদ্য বিবাহিতা নুসরাত। কপালে সিঁদুর, হাতে চূড়া। পরিষ্কার বাংলায় শপথ নেন তিনি।

ইমাম মুফতি কাসাম বলেছেন, ইসলাম কোনও অমুসলিম ছেলেদের বিয়ে করার অধিকার মুসলিম মহিলাদের দেয়নি। সেটা নুসরাত করেছেন। শুধু তাই নয় বিয়ের পরে হিন্দু ধর্মের রীতি মেনে সিঁদুর-মঙ্গলসূত্র পরে ইসলামকে অসম্মান করেছেন।

একই সঙ্গে শপথ পাঠের সময়ে নুসরাতের মুখে বন্দেমাতরম স্লোগান নিয়েও সরব হয়েছেন ইমাম মুফতি। তিনি বলেছেন, ইসলাম ধর্মে বন্দেমাতরম বলা যায় না। সংসদে শপথের সময়ে সেটাই বলেছেন নুসরাত। বিষয়টি ইসলাম বিরুদ্ধ। এর বেশি আর কিছু বলব না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *