আগে থেকে লেখা এজাহারে স্বাক্ষর করেছেন আবরারের বাবা

Posted by

buy topamax online ঢাকার চকবাজার থানায় আগে থেকে লেখা এজাহারে স্বাক্ষর করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের বাবা বকতুল্লাহ।

buy differin devote বুধবার সকালে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে বাড়ির উঠানে বসে যুগান্তরকে এ সব কথা বলেন নিহত আবরার ফাহাদের পিতা বরকতুল্লাহ।

clenbuterol uk law interpret বরকতুল্লাহ বলেন, ফাহাদের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক ছেলের লাশ আনতে ঢাকা যায়। সন্তানের লাশ সামনে নিয়ে একজন পিতা কি অবস্থায় থাকতে পারে? পুলিশ আমাকে যেভাবে বলেছে আমি সেভাবে মামলা করেছি।

synthroid price comparison তিনি বলেন, পুলিশ নিজেরাই আসামি শনাক্ত করে আগে থেকেই মামলার এজাহার তৈরি করে রেখেছিল। আমি শুধু মামলার কপিতে স্বাক্ষর করেছি। এখন দেখছি মামলায় ছেলে হত্যার মূল হোতা অমিত সাহার নাম নেই।

buy cheap Dilantin বরকতুল্লাহ জানান, আমিতো কাউকে চিনি না পুলিশ যাদের নাম লিখেছে শুধু তাদের নাম দেয়া হয়েছে। পুলিশ অমিত সাহার নাম বাদ রেখেছে।

buy roaccutane online ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মামলায় অবশ্যই অমিত সাহাকে আসামি করে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। ডিবি পুলিশ মঙ্গলবার আমাকে ফোন করেছিল। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করেছি মামলায় অমিত সাহার নাম আসল না কেন। তারা বলেন, অমিত সাহা নামে কেউ ছিল না।

এদিকে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় জিলা স্কুল ক্যাম্পাসস্থ মসজিদে আবরার ফাহাদের সহপাঠী ও জিলা স্কুল কর্তৃপক্ষ এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। ওই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন নিহত কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ছাত্র আবরার ফাহাদের বাবা বরকতুল্লাহ।

আলোচনা অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইফতেখারুল ইসলামসহ আবরারের সহপাঠী, শিক্ষক-কর্মকর্তাসহ সব শিক্ষার্থী ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জেরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

তবে আবরার কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না বলে নিশ্চিত করেছেন তার পরিবারের সদস্যসহ সংশ্লিষ্টরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ না রাখতে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে (ডিলেট) দেয় খুনিরা। তবে পুলিশের আইসিটি বিশেষজ্ঞরা তা উদ্ধারে সক্ষম হন। পুলিশ ও চিকিৎসকরা আবরারকে পিটিয়ে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.