রাজাকার কন্যা ও শিবির নেতার বোন শাহানাজ ডলি এবার শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী!

Posted by

http://hotellikalevala.fi/tag/kuhmon-kamarimusiikki একাত্তরের তালিকাভুক্ত চিহ্নিত রাজাকারের কন্যা এবং উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের আপন বোন আগামী ৭৪ তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সফরসঙ্গী হচ্ছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগের বিতর্কিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহনাজ পারভীনক ডলিকে সংগঠনটির পক্ষ থেকে খোদ মনোনীত করেছেন কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার। ভোরের পাতার কাছে এমন তথ্য প্রমাণ এসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহনাজ পারভীন ডলির পিতা মৃত. আব্দুল মালেক শিকদার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনীর একনিষ্ঠ দোসর হিসাবে কাজ করেছেন। এমনকি ঝালকাঠি জেলার রাজাকারদের তালিকা রয়েছে সেই তালিকাতেও নাম রয়েছে ডলির পিতা মালেক শিকদারের।

এছাড়া যুব মহিলা লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের আপন ভাই মোস্তফা কামাল শিকদার রাজাপুর উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন দীর্ঘ সময় ধরে। ১৯৯১ সাল থেকে ৯৬ সাল পর্যন্ত রাজাপুর উপজেলা ছাত্র শিবিরের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময়ে সংখ্যালঘু নির্যাতন থেকে শুরু করে এমন কোনো অপকর্ম নেই যা মোস্তফা কামাল শিকদার করেননি। তবে ঝালকাঠি ১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য যিনি বিএনপি জামায়াতের একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক হিসাবে ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন সেই রেইট্রি হোটলের মালিক বি এই হারুণের হাত ধরে বর্তমানে ৬ নং মঠবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে রাজাকারের এই সন্তান এলাকায় সংখ্যালঘুদের জমি দখল থেকে শুরু করে রমরমা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভোরের পাতার অনুসন্ধানে জানা গেছে, যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাজমা আক্তারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে রাজাকার কন্যা শাহনাজ আক্তার ডলি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী এমপি কোটায় ডলিকে এমপি বানাবেন বলে আর্থিক লেনদেনও হয়েছিল বলে দাবি করেছে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র। এমপি বানাতে না পেরে নাজমা আক্তার এবার যুব মহিলা লীগের অনেক ত্যাগী ও পরিক্ষীত আদর্শিক নেত্রীকে বাদ দিয়ে পুরোনো টাকা হালাল করার জন্য বিতর্কিত শাহনাজ পারভীন ডলিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের ৭৪ তম অধিবেশনে সফরসঙ্গী করার জন্য নাম প্রস্তাব করেছেন।

এ প্রসঙ্গে যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নাজমা আক্তারকে এ প্রতিবেদক ফোন করলেও তিনি ধরেননি। এমনকি বুধবার বিকালে নাজমা আক্তারকে নিউজের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চেয়ে একটি ক্ষুদে বার্তা বা এসএমএস পাঠালেও তিনি তার কোনো প্রতি উত্তর দেননি।

তবে এদিকে, যুব মহিলা লীগের একাধিক নেত্রী ভোরের পাতাকে বলেছে, আমরা দিনের পর দিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শিক কর্মী হিসাবে রাজনীতি করে তেমন কিছু না পেয়েও রাজনীতি ছাড়ি নাই। কিন্তু ত্যাগীদের বাদ দিয়ে কেন এমন একজন রাজাকারের মেয়ে ও শিবির নেতার বোনকে কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার শাহনাজ পারভীন ডলির নাম প্রস্তাব করলো, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এমনকি তদন্ত করে নাজমা আক্তারের বিচারও দাবি করেছেন কেউ কেউ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *