কাফনের কাপড় আর জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল কর্নেল জামিলকে

Posted by

consult xeloda price জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন কর্নেল জামিল আহমেদ মিঠু। রাজধানীর সোবহানবাগে যে স্থানে জামিলকে গুলি করে হত্যার পর কাফনের কাপড় ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়। জানাজা পড়ারও সুযোগ দেয়নি তার হত্যাকারীরা।

augmentin uk কর্নেল জামিলের কন্যা আফরোজা জামিল কঙ্কা গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন। কঙ্কার সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ সময় নিউজের পাঠকের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হল।

adapalene gel price in india সাক্ষাৎকারের কঙ্কা বলেন, রক্তাক্ত বিছানার চাদর মুড়িয়ে সেনা প্রহরায় সমাহিত করা হয় জামিলক। কিন্তু আওয়ামী লীগ চারবার ক্ষমতায় থাকলেও কর্নেল জামিলের নামে সেনানিবাস বা এর বাইরে কোনো স্থাপনার নামকরণ হয়নি। এমনকি কোনো স্মৃতিস্তম্ভও নির্মাণ করা হয়নি।

inspect http://freshlooktub.com/73365-pyridium-cost.html ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমণ্ডিতে রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাসায় হামলা হলে কর্তব্যের ডাকে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে ছুটে যান রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব কর্নেল জামিল আহমেদ।

buy gabapentin 300 mg কিন্তু ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসায় পৌঁছানোর আগেই সোবহানবাগ মসজিদের কাছে গুলি করে হত্যা করা হয় কর্নেল জামিলকে।

here আফরোজা জামিল কঙ্কা বলেন, ১৫ আগস্ট ভোরের দিকে বাবা ও মায়ের উচ্চৈঃস্বরের কথাবার্তায় আমার এবং বড় বোনের ঘুম ভেঙে যায়। আমার বয়স তখন ১২ আর বোনের বয়স ১৫। আমরা দেখলাম বাবা বিভিন্ন জায়গায় ফোন করছেন। বাসার লাল ফোনটা বেজে উঠতেই মা (আনজুমান আরা) এগিয়ে গিয়ে ফোনটা ধরেছিলেন। ওপাশ থেকে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘জামিল কই? জামিলকে দে।’

বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আলাপ শেষে বাবা জানান, ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর বাসায় হামলা হয়েছে। বাবা সেনাপ্রধানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেন। সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ ধানমণ্ডিতে ফোর্স পাঠাবেন বলে বাবাকে আশ্বস্ত করেন।

কঙ্কা বলেন, সময় নষ্ট না করে বাবা ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসার দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বাবা সিভিল ড্রেসেই বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের দিকে রওনা হন। মা একটু ইতস্তত করছিলেন। বাবা বললেন, বঙ্গবন্ধুর বিপদ, আমাকে যেতেই হবে।’

কঙ্কা বলেন, সকাল বাবার গাড়িচালক আইনউদ্দিন বাসায় ফিরে এলো। মা জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার সাহেবকে কোথায় রেখে এসেছ?’ আইনউদ্দিন কিছু না বলে শুধু কাঁদতে থাকল। জোহরের নামাজের সময় সেনাপ্রধান সফিউল্লাহ ফোনে মাকে বললেন, ‘ভাবি, জামিল ভাই আর নেই।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.